দেওয়ানগঞ্জের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে খোলাবাড়ি

dewanganjnews
যমুনার গ্রাসে বিলিন হচ্ছে খোলাবাড়ী। ছবিঃ দেওয়ানগঞ্জ নিউজ।

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার চিকাজানী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি গ্রামের জনগন নদীভাঙ্গনে আতঙ্কিত। বার বার নদীভাঙ্গনে, ভিটে-মাটি সহায় সম্ভলহীনতায় ভূগছেন নদীভাঙ্গা আশ্রয়হীন মানুষগুলো। নদীভাঙ্গা সমস্যা শুধু ভিটে-মাটি কেঁড়ে নেয় না। নদীভাঙ্গা, প্রতিটি ভাঙ্গন কবলিত মানুষের জীবনকে প্রতিনিয়ত প্রভাবিত করছে। এখনই দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

বিকাল বেলা সরজমিনে গিয়ে নজরে পড়ে, পানির তীব্র আঘাতে একের পর ভূমি গিলে খাচ্ছে রাক্ষুসে নামধারী যমুনা। যেখানে তিব্র পানির স্রোতের কারণে নদীর পাড়ে দাঁড়ানো খুবই বিপদজনক। নবনির্মিত নৌথানা থেকে নদীর দুরত্ব মাত্র ৩০ মিটারের মত। সেখানে কিছু অংশ বালি ভর্তি জিওব্যাগ ফেলে নদী ভাংগন ঠেকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যে কোন সময় এটি নদী গর্ভে চলে যেতে পারে। খোলাবাড়ি বাজারের বড় একটি অংশ বিগত বিশ দিনে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

- Advertisement -

 

দেওয়ানগঞ্জ
নৌথানা বাঁচানোর জন্য জিওব্যাগ। ছবিঃ দেওয়ানগঞ্জ নিউজ।

কয়েকজন দর্শনার্থী কূলে দাঁড়ালে হঠাৎ দ্রুত একটি অংশ ভাঙ্গলে তাদের সবার মধ্যে আতংক বিরাজ করে। তাদের মধ্যে স্থানীয় আব্দুর রহিমসহ এলাকার স্থানীয়দের সাথে কথা বললে তারা দেওয়ানগঞ্জ নিউজকে বলেন, আমাদের আর কত কলমের কালি শেষ করলে আর কত নিরীহ পরিবার এই জায়গাজমি বাড়ি ভিটা হারিয়ে অসহায়ের মতো পথে পথে ঘুরলে, খোলাবাড়ি গ্রামে একটি বাধের ব্যাবস্থা হবে। প্রতি বছরই নদিতে পানি বাড়ার সাথে সাথে এই এলাকা যমুনার গভীর তলদেশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

এলাকার জনগনের একটাই দাবি , এই এলাকায় বাঁধ নির্মাণ ও ব্লক ঢালাই ব্যবস্থা নিলে হাজারো মানুষ সস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারবে। এই সমস্যা সমাধানে যমুনা নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় সাংসদ জনাব আবুল কালাম আজাদ ও উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করে এবং দেওয়ানগঞ্জের সকল নাগরিক সমাজকে সোচ্চার হওয়ার আহবান জানিয়েছেন খোলাবাড়ি গ্রামের জনগণ।

আপনার মতামত দিন